স্টাফ রিপোর্টার:
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীদের হলফনামার বেশ কিছু তথ্য প্রচারের নির্দেশনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
এসব তথ্য অসত্য হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ঝড়ে পড়বেন সম্ভাব্য প্রার্থী। কেউ অসত্য তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দেওয়ার বিধানও রয়েছে।
যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে প্রার্থীর জন্ম তারখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়ের উৎস, মামলার তথ্যসহ একগুচ্ছ বিষয়ে হলফনামা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল, হলফনামার তথ্য বাছাই, হলফনামার তথ্যাবলী প্রচার এবং বাছাইকালে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতির বিষয়ে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য ইসি পরিপত্র জারি করেছে।
মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময়ে নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মনির হোসেন এ সংক্রান্ত পরিপত্র সবার কাছে পাঠিয়েছেন।
হলফনামায় যেসব তথ্য থাকতে হয়
>> জন্ম তারিখ এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রার্থীর বয়স।
>> প্রার্থীর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ উত্তীর্ণ পরীক্ষার নাম দিতে হয়। নিরক্ষর বা স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন হলে দিতে হবে সেই তথ্য। সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকলে নম্বরপত্র দিলেও চলবে।
>> প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারী মামলা হয়েছে কিনা; রায় হয়ে থাকলে সেটাও দিতে হবে।
>> প্রার্থীর পেশার বিবরণী।
>> নির্ভরশীলদের পেশার তালিকা (বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে)।
>> দেশে ও বিদেশে প্রার্থী এবং নির্ভরশীলদের আয়ের উৎস। আয়কর রিটার্ন এবং মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
>>দেশে ও বিদেশে প্রার্থীর নিজের বা তার উপর নির্ভরশীলদের সম্পদ ও দায়ের বিবরণী।
>> আগে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন কিনা।
(হয়ে থাকলে নির্বাচনের আগে কী কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং কী পরিমাণ অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল, তার বিবরণী দিতে হবে।)
>> ঋণ সংক্রান্ত তথ্যাবলী দিতে হবে।
(কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে একক বা যৌথভাবে বা তার উপর নির্ভরশীল সদস্যদের ঋণের পরিমাণ অথবা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে ওই সব প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে।)
>> আয়কর সংক্রান্ত তথ্য (সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন জমার বিবরণ) দিতে হবে।
