ক্রীড়া ডেস্ক:
রান তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর ব্যাট হাতে ক্রিজে ঝড় তুলে দলনেতা লিটন কুমার দাস। শেষটা করেন সাইফ হাসান। তাতেই সহজ জয় পেয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। আর ৮ উইকেটের এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন ফিল সিমন্সের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৬ রান করে নেদারল্যান্ডস। জবাবে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
সিলেটে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশি দলনেতা লিটন কুমার দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সূচনার ইঙ্গিত দেন ডাচ ওপেনার ম্যাক্স ও’দাউদ। কিন্তু ইনিংসের চতুর্থ ওভারে সাজঘরে ফেরেন এই ডানহাতি ব্যাটার। নিজের করা প্রথম ওভারে ও’দাউদকে আউট করেন তাসকিন। ১৫ বলে ২৩ রান করেন ডাচ ওপেনার।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে আরও একটি উইকেট নেন তাসকিন। ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরান বিক্রমজিৎ সিংকে। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান।
ম্যাচের দশম ওভারে সাইফ হাসানের হাতে বল তুলে দেন দলনেতা লিটন কুমার দাস। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন সাইফ। তেজা নিদামানুরু ও স্কট এডওয়ার্ডসকে আউট করেন তিনি। নিদামানুরু ২৬ ও এডওয়ার্ডস ১২ রান করেন। এরপর শারিজ ১৫, ক্রোয়েস ১১, ক্লেইন ৯ রান ও প্রিঙ্গল ১৬ রান করেন। আর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন আরিয়ান।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। দুটি উইকেট নেন সাইফ হাসান। আর একটি উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।
১৩৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারের প্রথম দুই বলে চার হাঁকানোর পর তৃতীয় বলেই ছয় মারেন বাংলাদেশি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। কিন্তু দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেওয়া এই ওপেনার টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। আরিয়ান দত্তের বলে আউট হওয়ার আগে ১৫ রান করেন ইমন।
দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ তামিম ও লিটন দাস মিলে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। ২৯ রান করে আউট হন তানজিদ।
এরপর লিটনের সঙ্গে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন সাইফ হাসান। এ সময় দুজন মিলে ২৬ বলে ৪৬ রানের অপ্রতিরোধ্য জুটিতে জয় নিশ্চিত করেন লিটন-সাইফ।
মাত্র ২৬ বলে ফিফটি পূরণের পর ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। আর মাত্র ১৯ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ হাসান।
