স্টাফ রিপোর্টার :
গত এক সপ্তাহ ধরে বেড়ে চলতে শীতের তীব্রতা, কনকনে শীতের পাশাপাশি রয়েছে ঘন কুয়াশা আর এতেই হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীর ভিড়। প্রতিদিন ফরিদপুরে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল (ডাক্তার জাহেদ মেমোরিয়াল) টিতে শুধু আউডোরেই ৫০০ থেকে ৬০০ রোগী আসছে শীত জনিত নানা সমস্যা নিয়ে।
শুধু এই হসপিটালটি নয় এমন চিত্র ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি
স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর।
ফরিদপুর শিশু হাসপাতলে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শুধু ফরিদপুরের নয় পার্শ্ববর্তী রাজবাড়ী, মাগুরা থেকেও অভিভাবক এসেছে তার শিশু বাচ্চাটি নিয়ে। এদের অধিকাংশ কেউ নিউমোনিয়া কেউবা ডারিয়া কেউবা শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।
এ প্রসঙ্গে ফরিদপুরের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আব্দুল্লাহ হিস সায়াদ বলেন, শীতের তীব্রতায় জেলা সর্বত্রই বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে এই সময় শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হয়। আমরা স্বাভাবিক সময় চেয়ে এখন রোগীর সংখ্যা পাচ্ছি বেশি, এদের অধিকাংশই নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, ঠান্ডা জনিত রোগ বালাই নিয়ে অভিভাবকরা আসছেন আমাদের কাছে।
বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন,শীত বাড়ার সাথে সাথেই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে বেশ করে, বিশেষ করে শিশু বাচ্চাদের কোনোভাবেই ঘরের বাইরে নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, যতটা সম্ভব বাইরের খাবার এগিয়ে চলতে হবে, উষ্ণ গরম পানি দিয়ে শিশুদের গোসল ও পানি পান করাতে হবে। এরপরও যদি কোন সমস্যা সৃষ্টি হয় দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহমুদুল হাসান বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথেই আমরা
জেলার নয় উপজেলার সকল স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্ব ওদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে বিভিন্ন রকম পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
