স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুরের সোনালী ব্যাংক পিএলসি জেনারেল ম্যানেজার’স অফিসের উদ্যোগে
শনিবার শহরতলীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মশালায় জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস ফরিদপুরের আওতাধীন ৮৭টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক, পাঁচটি প্রিন্সিপাল অফিসের মানিলন্ডারিং কর্মকর্তা এবং জেনারেল ম্যানেজার’স অফিসের নির্বাহী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ফরিদপুরের জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. তানজিমুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রতিটি ব্যাংক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত শনাক্ত ও রিপোর্ট করার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।”
সভাপতির বক্তব্যে মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, “গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি), ঝুঁকিভিত্তিক গ্রাহক মূল্যায়ন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধসংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সুনাম ও আর্থিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন প্রধান কার্যালয়ের মানি লন্ডারিং অ্যান্ড টেররিজম ফাইন্যান্সিং ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বিশ্বাস মোহাম্মদ মীজানুর রহমান এবং একই বিভাগের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রামপ্রসাদ দাস। তারা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক যাচাই এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত ও রিপোর্টিং বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এসময় সোনালী ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
