স্টাফ রিপোর্টার:
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পযন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় প্রথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ফরিদপুর সদরে ১৫৪ জন পরিক্ষার্থীর ওএমআর নম্বর হারিয়ে গেছে কেন্দ্র থেকে। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে সদর উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কাযালয়ের দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন) নম্বর হারিয়ে গেছে ফরিদপুর সদরের ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় “বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়” বিষয়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ফরিদপুর শহরের চুনাঘাটা মোড় এলাকায় অবস্থিত। এ কেন্দ্রে ফরিদপুর সদরেরর বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের শিক্ষার্থীরা প্রথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই কেন্দ্র থেকে গত ১৮ এপ্রিল বৃত্তি পরীক্ষার শেষ দিনে ওই ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর ওএমআর হারিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ বলেন, শেষ পরীক্ষার দিন ওই কেন্দ্রে ওএমআর হারিয়ে যাওয়ার এ ঘটনা ঘটে। তিনি দাবি করে বলেন, ওএমআর হারিয়ে গেলেও পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোন সমস্যা হবে না। কেননা প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (আইএমডি) ইতোমধ্যে এ ক্ষতি “রিকভার” করে ফেলেছে।
সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ আরও বলেন, এ ঘটনার পর আমাকে ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা অজয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের টাঙ্গাইলসহ ফরিদপুর জেলার বাইরে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের কর্মকান্ড তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পরবর্তিতে আরও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
জেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ওএমআর হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে। প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে। পরবর্তিতে যার যার গাফিলতি রয়েছে বলে প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
