স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী-এর মুঠোফোন নম্বর ০১৭১১৪৬৩৯১৮ ক্লোন করে টাকা চাওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি প্রতারক চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে কবিরুল ইসলামের সহকারি শহরের গুহলক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. নাঈম মোল্লা (৩৩) বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠিয়ে ৪০ হাজার ৫৪০ টাকা খুইয়েছেন।
এ ব্যাপারে নাঈম মোল্লা রবিবার ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
ওই সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়েছে রবিবার দুপুর ১২.২৪ মিনিটের সময় তার মালিক কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকি এর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ দিয়ে বিকাশ নম্বর ০১৮৭৬৩৪১৬৩৫ দশ হাজার টাকা দিতে বলে।
তিনি বিষয়টি যাচাই না করে দুপুর ১২.৩৬ মিনিটে উক্ত বিকাশ নম্বর ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে পুনরায় আরো একটি বিকাশ নম্বর ০১৮২৪২৭২৯৫৭ থেকে আরো ৩০ হাজার ৫৪০ টাকা পাঠাতে বলে। তিনি দুপুর ১.০৯ টার দিকে টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপর আরো একটি বিকাশ নম্বর ০১৮৯৭৩৬৪৯৮২ থেকে ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বললে তার সন্দেহ হয় এবং তিনি তার মালিক কবিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারেন কবিরুর ইসলামের মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে প্রতারক চক্র তাকে প্রতারণা করে তার কাছ থেকে মোট ৪০ হাজার ৫৪০টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এ দিকে বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব পিয়াল একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, প্রেসক্লাবের সভাপতির মুঠোফোন নম্বর ক্লোন হয়েছে। হ্যাকাররা ওই নম্বর ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা দাবি করছে। সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে, ওই নম্বর থেকে কোনো টাকা চাওয়া হলে টাকা পাঠাবেন না এবং কোনো ধরনের ওটিপি, পিন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।
বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হলো।
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, তার জানা মতে ইতিমধ্যে ৪০ সহস্রাধিক টাকা প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। আরও কেউ যে প্রতারিত হেয়নি তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তিনি সকলকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, সাধারণ ডায়েরির আলোকে প্রতারক চক্রকে খুঁজে বের করা ও গ্রেফতারের জন্য কাজ করছে পুলিশ।
