স্টাফ রিপোর্টার:
নাইট কুইন’ ফুল, কদেখতে ও এর সুভাষ নিতে করতে হয় দীর্ঘ যত্ন ও অপেক্ষা, তার পরই গাছে দেখা মেলে ‘। তবে মিষ্টি গন্ধের শুভ্র ফুলটি রাতে ফুটতে শরু করে আবার রাত শেষ হওয়ার আগেই ঝরে যায়। কিন্তু রেখে যায় মুগ্ধতা।
সোমবার রাতে তেমনি নাইট কুইন ফুটেছে ফরিদপুর সরকারি কর্মকর্তা বাকাহিদ হুসাইন ও রহিমা রহমান রত্না দম্পতির বাসায়।
বাকাইদ হোসাইন বলেন, নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দুই বার মোট ছয়টি ফুল ফুটেছে। সর্বশেষ সোমবার রাত দশটার পর থেকে তিনটি ফুল ফোটে শুরু করে। ফুলগুলো সন্ধ্যা রাতের দিকে ফোটা শুরু করে রাত বারোটার পর থেকে পরিপূর্ণ রূপ পায়। আবার সকাল হওয়ার আগেই নিস্তেজ হয়ে পড়ে বা ঝরে যায়।”
তিনি জানান পরিবারের ফুলের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই নাইট কুইন ফুলের কাছ সংগ্রহ করি।
এই কর্মকর্তা বলেন, “প্রতিদিন পানি ও সার দেওয়াসহ পরিচর্যার কাজ করতাম দুজনে মিলেই। তবে গাছের টবে কখনো রাসায়নিক সার ব্যবহার করিনি। সবসময় জৈব সার ব্যবহার করতাম।
“নিজের হাতে লাগানো গাছে এত সুন্দর ফুল দেখে আমরা খুবই খুশি হয়েছি, যা ভাষায় বলে বোঝাতে পারবো না।”
ফরিদপুরের কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, নাইট কুইন আত্মপ্রকাশ ও নিজেকে বিকশিত করে রাতে। রাতের অন্ধকারেই হয় তার জীবনাবসান। এই ফুল দিনের আলো সইতে পারে না। সবাই এ ফুলকে নাইট কুইন বা ‘রাতের রানী’ বলে চেনে।
