স্টাফ রিপোটার :
আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রীতি অনুযায়ী জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমেই ভোটের তারিখ ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে কমিশন সভা শেষে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, “আমরা বিটিভিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করার জন্য চিঠি দেব।”
এবারের সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটও হবে।
সানাউল্লাহ জানান, আগের নির্বাচনগুলোর মতো সব কেন্দ্রে নির্বাচন সামগ্রী ও ব্যালট পেপার আগের রাতেই পৌঁছে যাবে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও চার কমিশনার, কমিশন সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘তফসিলের নির্দিষ্ট দিন/তারিখ বলা যাবে?’—এক সংবাদকর্মীর এমন প্রশ্নে কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ মানে চলতি সপ্তাহ, অর্থাৎ ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ধরে নিতে পারেন।”
তফসিলের যে প্রস্তুতিগুলো নেওয়া হয়, তার সবই শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “যেমন সংলাপ, আইন ও বিধির সংস্কার। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। পোস্টাল ভোট কার্যক্রম চলমান।”
চলতি সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার আগে রীতি অনুযায়ী পুরো কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবে জানিয়ে তিনি বলেন, “এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের কাছে আগামীকাল পত্র প্রেরণ করা হবে।”
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারের তালিকা প্রস্তুত করেছে বলেও জানান সানাউল্লাহ।
এই তালিকায় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা যুক্ত থাকবেন।
বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আপাতত রিজার্ভে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
