স্টাফ রিপোটার :
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় ফরিদপুরের রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হিন্দু শাস্ত্রমতে, শারদীয় দুর্গা পূজার অষ্টমীর দিনে সাধারণত এক থেকে ষোল বছর বয়সী যে কোনো বর্নের ও গোত্রের কুমারীকে পূজা করা হয়।
শুভ শক্তির বিকাশ আর অশুভ শক্তির বিনাশের বাসনায় প্রতিবারের মত এবারও কুমারী পূজার অনুষ্ঠিত হয়েছে রামকৃষ্ণ মিশন ফরিদপুরে । কুমারী পূজা দেখতে নানা বয়সী ভক্তবিন্দু মন্দিরে ভিড় করে,সেখানে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা ।
দেবী দুর্গার আসনে বসানো হয় দেবীর রূপে কিশোরী এক মেয়েকে। পূজা শেষে ভক্তরা অঞ্জলি প্রদান করেন।
হিন্দু ধর্মীয় মতে, বয়স ভেদে কুমারীর নাম ভিন্ন হয়। এবার অম্মী মজুমদার (১০)
তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী পূজিত হন । শাস্ত্রমতে এই বয়সে কুমারী পূজিতা হলে শুভশক্তির বিকাশ ও অশুভ শক্তির বিন্যাস ঘটে। এতে সমাজে অশান্তি দূর হয়ে শান্তি পূর্ন অবস্থা বজায় থাকে।
দুর্গাপূর্জার মহাঅষ্টমীর দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারী পূজা।
কুমারী পূজা দেখতে আসা ভক্তবৃন্দ বলেন, দেবির কাছে প্রার্থনা করি আমরা সমাজের হানাহানি দূর হোক, শান্তি বর্ষণ হোক সকল প্রাণকূলে।
“কুমারী আদ্যাশক্তি মহামায়ার প্রতীক। দুর্গার আরেক নাম কুমারী। নারীর যথাযথ মর্যাদা অধিষ্ঠিত করতে কুমারী পূজা করা হয়। মাটির প্রতীমায় যে দেবীর পূজা করা হয়, তারই বাস্তব রূপ কুমারী পূজা।
“কুমারী সমগ্র জগতের বাক্য ও বিদ্যাস্বরূপ। তিনি এক হাতে অভয় ও অন্য হাতে বর প্রদান করেন। কুমারীতে পবিত্রতা, সৃজনী, পালনী ও কল্যাণী শক্তি সূক্ষরূপে বিরাজিতা।”…. সট সুরবানন্দ,মহারাজ রামকৃষ্ণ মিশন ফরিদপুর ।
এছাড়াও জেলার ৭৫৮টি মন্ডবে সবগুলো মণ্ডপে দুপুরের মধ্যে অষ্টমী পূজার অঞ্জলি দিয়েছেন ভক্তরা।
