স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর পৌর এলাকার টেকসই উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক ক্লাস্টার উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পৌরসভা হলরুমে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে এবং ফরিদপুর পৌরসভা ও রেজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইউটিডিপি)-এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মোহাম্মদ হাই জকি।
প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুল আলম, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ,আল আমিন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ,সানিম আরেফিন, ডিজাইন ইন্জিনিয়ার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নগর পরিকল্পনাবিদ সাইফুর রহমান, আরইউটিডিপি, এলজিইডি, ঢাকা।
আরও বক্তব্য দেন আরইউটিডিপি এলজিইডি ঢাকা এর সহকারি প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন, জুনিয়র ইলেকট্রিক প্রকৌশলী মো. রিফাত হাসান, এসএমই মো. হারুণ উর রশিদ, আর্কিটেক সুমাইয়া ও এএমই শিখা বিশ্বাস।
কর্মশালায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (টিএলসিসি)-এর নারী ও পুরুষ সদস্যসহ প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রকৌশলী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং অভিমত ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, একটি আধুনিক, পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ-সহনশীল পৌরসভা গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনা এবং উন্নত নাগরিক সেবার বিকল্প নেই। প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুর পৌরসভার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিক চাহিদা বিবেচনায় একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা পৌর এলাকার সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি সরবরাহ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ ও মতামত তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে ফরিদপুর পৌরসভার জন্য একটি সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পৌর এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
বক্তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের অংশগ্রহণমূলক কর্মশালা স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তব চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি বাসযোগ্য, আধুনিক এবং টেকসই পৌরসভা গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
