স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর-২ নির্বাচনী এলাকার নগরকান্দায় এক জনসভায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার সময় কাঁদলেন ও কাঁদালেন উপস্থিত ময়দার ভর্তি জানতাকে বিএনপি প্রার্থী ও দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম (রিংকু)৷ তার পিতা মুক্তিযুদ্ধেন অন্যতম সংগঠন ছিলেন।
বললেন আমার পিতার জন্য এই অঞ্চলের মানুষ তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে ভালোবেসেছে, আমার পিতা এই নগরকান্দা-সালথার মানুষদের দল মত ও ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে সকলকে আগলে রেখেছিল। তিনি বলেন আগামীতে আমি এমপি নির্বাচিত হতে পারলে বাবার আদর্শ লালন করে সকলকে নিয়ে চলতে চাই, রুখে দিতে চাই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিকে।
রোববার বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরের মাহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমী মাঠে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন। মাঠটি বিকাল চারটে নাগাদ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় বিএনপির এই জনসভায় স্থলটি।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে শামা ওবায়েদ আরো বলেন- “বিএনপি যদি বিজয় লাভ করে তাহলে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সেবা পাবেন, যাতে কোনো দুর্নীতিবাজরা আপনাদের পকেট খালি করতে না পারে। আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি- আমার বাবা সব সময় ন্যায়ের পথে ছিলেন। আমি নগরকান্দাকে দুর্নীতি মুক্ত নগরকান্দা, দুর্নীতি মুক্ত পৌরসভা এবং চাঁদাবাজ মুক্ত নগরকান্দা গড়ে তুলতে চাই। আমরা সকলে মিলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়ে তুলবো।”
এছাড়া তিনি রাত ১২ টার পর থেকে গ্রাম পাহাড়া দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন- “রাত বারোটা, একটার পর গ্রামে নাকি মানুষ ঢুকে, রাতে যারা ঢুকে তাঁরা ভাল উদ্দেশ্যে ঢুকে না। আপনারা নিজ নিজ গ্রাম পাহাড়া দিবেন, ঘর পাহাড়া দেবেন। যদি আপনার এই বোন বিজয় লাভ করে তাহলে আমি একা সংসদে যাব না, আপনারা সবাউ সংসদে যাবেন।”
এ সময় তাঁর বাবার কথা স্মরণ করে ভোট চাইতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন।
এ সভায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইছা, যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদজ শওকত শরীফ।
