স্টাফ রিপোর্টার:
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি বাহারি রকম পণ্যের পসড়া নিয়ে শুরু হয়েছে ফরিদপুরে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ মেলা চলবে আগামী তিন দিন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলার মঞ্চে পরিবেশন হবে দেশত্ববোধক গান, নৃত্য ও আবৃত্তি।
মঙ্গলবার বিকালে শহরের অম্বিকা ময়দানে বিজয় মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা, ছিলেন পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম।
এই বিজয় মেলায় ৫৬ টি স্টলে উদ্যাক্তরা নিয়ে এসেছেন বাহারের রকমের পিঠা, কেক, মধু আচার, কফি সহ দুগ্ধজাত নানা খাবারের সমাহার। এসব স্টলে ভিড় করছে নারী শিশুসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। পিঠার স্টল গুলোর মধ্যে রয়েছে কন্যার কুটুমবাড়ি, পাকের ঘর, আচার ঘর, প্রাণ বন্যা পিঠা ঘর,চমকি পিঠা ঘর,আনন্দ পিঠা স্টল সহ নানা বাহারি নামের স্টলে শতাধিক বাহারি নামের পিঠার সমাহার। এসব পিঠার মধ্যে ভাপা পিঠা, পুলি,চিতই পাটিসাপটা গোলাপ পিঠ,দুধ পুলি,মাংসপুলি,নারকেল পুলি, রসমালাই টাব,চকলেট জার সহ শতাধিক পিঠা, পায়েস,দই, ফুচকা,কেক ও চটপটির সমাহার রয়েছে।
মেলায় আসা উদ্যােক্তরা বলেন, বিজয় মেলায় স্টল নিতে পেরে খুশি, কারন বিজয়ের আনন্দোর পাশা পাশি আমাদের পণ্যকে পরিচিতি করতে পারছি। আশা করছি ভালো ব্যবসা হবে।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে মেলার উদ্বোধক অতিথিদের নিয়ে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন, এ সময় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা জানান, বাঙালির জাতীয় জীবনে আজকের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিন, সারাদেশের ন্যায় ফরিদপুরে দিবসটিকে বেশ গুরুত্বের সাথে পালন করা হচ্ছে।
তিনি জানালেন বিজয় মেলার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে আমাদের সংস্কৃতি কে তুলে ধরা, মুক্তযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পর্বের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলার বেতার কেন্দ্রীয় সংগীত গুলো পরিবেশন করা হবে, এতে তরুণ সমাজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করবে ধারণ করবে এবং ভবিষ্যতের নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এই চেতনা তাদেরকে জাগ্রত করবে।
