স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুরে পানিতে ডুবে দুই নাতি ও দাদি নিখোঁজ হন। পরে এক নতি সহ দাদির লাশ উদ্ধার করা হলেও অপর নাতি এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভাসান চর গ্রামের চৌধুরী বাজার এলাকায় কুমারনদে এই ঘটনা ঘটে।
মৃত ও নিখোঁজ সকলে পশ্চিম ভাসান চর গ্রামের মৃধাবাড়ির সদস্য।
লাশ উদ্ধার হওয়া দাদির নাম মালা বেগম (৬৮)। তিনি পশ্চিম ভাসান চর গ্রামের দিরাজউদ্দিন মৃধার স্ত্রী।
দুই নাতির নাম দিরাজউদ্দিনের ছেলে তোতা মৃধার ছেলে তৌসিফ (৭) ও দিরাজউদ্দিনের আরেক ছেলে সারফুদ্দিন মৃধার ছেলে সোয়াদ (৬)।
এর মধ্যে দাদি মালা বেগম ও তৌসিফের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোয়াদ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
অম্বিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বারি চৌধুরী বলেন, দুপুর তিনটার দিকে বাড়ির পাশে কুমার নদে গোসল করতে গিয়ে আপন চাচাতো ভাই দুই শিশু সোয়াদ ও তৌসিফ । এক পযায়ে তারা পানিতে ডুবে যায়। ওই সময় তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে দাদি মালা বেগমও পানিতে ডুবে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর মোল্লা বলেন, তৌসিফ ও সোয়াদ ভাসান চর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল। দুই নাতিসহ দাদির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে এলাকার জানতে পারেনি। বিকাল সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার দিকে নদীতে দুটি মৃতদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী ফরিদপুর দমকল বাহিনীকে খবর দেয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর মালা বেগম ও তৌসিফের পরিচয় সনাক্ত হয়।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর লিডার মোহাম্মদ নিসার আলী বলেন, বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে দুটি মৃতদেহ নদীতে ভেসে উঠেছে বলে খবর পাই, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করলে মৃতদেহের পরিচয় জানা যায়। এ সময় অপর আরেক শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে এলাকাবাসী আমাদেরকে জানান। কিছু সময় মৃতদেহটি খোঁজার পরে সন্ধ্যার কারণে আমরা অভিযান সমাপ্তি টানি। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত যদি নিখোঁজ মৃতদের দেহটি না পাওয়া যায় তাহলে শুক্রবার সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।
