বেলজিয়াম জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম প্রিএভো জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্সের পর বেলজিয়াম একই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়ল।
চলতি সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের নিউ ইয়র্কের সদরদপ্তরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশনেই ওই দেশগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মুখে থাকা ইসরায়েল ওই দেশগুলোর এ অঙ্গীকারে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, প্রিএভো সামাজিক মাধ্যম এক্স এ এক পোস্টে বলেছেন, বেলজিয়াম নিউ ইয়র্ক ঘোষণাপত্রের স্বাক্ষরকারীদের সঙ্গে যোগ দেবে। এটি ফিলিস্তিন সমস্যার দ্বি-রাষ্ট্রীক সমাধানের অথবা ইসরায়েলের পাশে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ প্রশস্ত করবে।
প্রিএভো বলেছেন, “ফিলিস্তিন, বিশেষ করে গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের যেসব শোচনীয় ঘটনা প্রকাশিত হচ্ছে তার আলোকে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের চালানো সহিংসতার প্রতিক্রিয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি জানান, ফ্রান্স ও সৌদি আরবের নেতৃত্বে যৌথ কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বেলজিয়াম একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে চায়। এই পদক্ষেপকে একটি রাজনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের বিস্তৃতি ঘটানো ও সেখানে দেশটির সামরিক উপস্থিতির নিন্দাও এর লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
কানাডার ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফ্রান্সের সিদ্ধান্তকে ‘বেপরোয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। বিডি নিউজ
