স্টাফ রিপোর্টার:
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা দিতে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ফরিদপুর পৌরসভা। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে অধ্যয়নরত প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হবেন। নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে।
বুধবার বিকালেনফরিদপুর পৌরসভার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৃত্তির জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

ফরিদপুর পৌরসভা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী জানান, আবেদনকারীকে অবশ্যই ফরিদপুর পৌরসভার যেকোনো ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। পাশাপাশি তাকে বাংলাদেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অথবা সরকারি মেডিকেল কিংবা ডেন্টাল কলেজের প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে। আবেদনকারীকে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সদস্য হতে হবে এবং বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করা হবে।
আবেদনের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি ও ভর্তি-সংক্রান্ত প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীর সনদ/নাগরিক সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও জমা দিতে হবে। বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক ইলিয়াছুর রহমান জানান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শর্ত পূরণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে। বৃত্তি পাওয়ার পরও নির্ধারিত শর্ত ও নিয়ম মেনে চলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষাবৃত্তি-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ফরিদপুর পৌরসভার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।ফরিদপুর সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাকের) সাবেক সভাপতি এডভোকেট শিপ্রা গোস্বামী এ প্রসঙ্গে বলেন, ফরিদপুর পৌরসভার এ উদ্যোগকে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখছি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শিক্ষা ব্যয়ের একটি অংশ মেটাতে এ বৃত্তি ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি।
আবেদনের শেষ সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
