স্টাফ রিপোর্টার :
“স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে”—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রবিবার (২২ মার্চ) বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আনন্দমুখর এ জমজমাট আয়োজনে মুখরিত থাকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।
বিকেল ৩টার দিকে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয় এ আয়োজন। এতে ২০১১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১২টি ব্যাচের ১২টি দল লিগ পদ্ধতিতে এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। এ প্রতিযোগিতা আগামী ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা।
এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হকি খেলোয়াড়, অধিনায়ক ও কোচ মাহাবুব হারুন।
বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “অনুরণন” নামে বই আকৃতির একটি ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়। করিম গ্রুপের সৌজন্যে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন জেলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল হাসান।
সন্ধ্যায় গত ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর ফরিদপুর জেলা স্কুলের ১৮৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন ব্যাচ প্রধানদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে গত ১৮ মার্চ থেকে শুরু হয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এতে ১৯৯৭ সালের একটি ব্যাচসহ মোট ১৬টি ব্যাচ অংশ নেয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় ১৮ ব্যাচ এবং রানার আপ হয় ১৭ ব্যাচ। ওই অনুষ্ঠানে তাদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন ১৮ ব্যাচের রাজ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ১৮৫তম পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব ওয়াহিদ মিয়া, ঈদ পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, সদস্য সচিব নিয়ামতউল্লাহ।
পরে অনুষ্ঠিত হয় কাওয়ালি গানের জমজমাট আয়োজন। কাওয়ালি গান পরিবেশন করেন “সুফি” নামে কাওয়ালি দল। সুরের এ মূর্ছনা শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে।
এ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় তারা স্মৃতিচারণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মেতে উঠেন। অনেকদিনপর প্রাণের বন্ধুকে পাশে পেয়ে আনন্দে এক আবেকঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও আনন্দঘন আবহ।
