স্টাফ রিপোর্টার :
সোনালি আঁশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরে বিএডিসির পাট ফসলের মাঠ দিবস ও বীজ ডিলার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (২৫ জুন) দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় ফরিদপুর অঞ্চলে পাট বীজ বিক্রয় বাড়াতে এর আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসির যুগ্ম সচিব ও বীজ ও উদ্যান উইং এর সদস্য পরিচালক মোঃ মজিবুর রহমান।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোসাব্বের হোসেন, পাট বীজ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক দেবদাস সাহা, বীজ উৎপাদনে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ হুমায়ুন কবির, ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ শাহাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া সহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জেলার পাট চাষী ও পাট বীজ ডিলারগণ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফরিদপুর বিএডিসি বীজ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ কামরুল হক।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বাংলাদেশে উৎপাদিত জেআরও ৫২৪ জাতের পাট বপনের পরামর্শ দেন বক্তারা। তারা বলেন বিএডিসির বীজ ভর্তুকি মূল্য প্রতি কেজি ১২০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। এতে উৎপাদন খরচ কমে যাবে তাছাড়া এই বীজের গজানোর সক্ষমতা ৯০ ভাগের বেশি এবং গুণ মানেও ভালো।
এ সময় বক্তারা আরো বলেন, ভারত থেকে বীজ আমদানির প্রবণতা কমিয়ে দেশীয় বীজ উৎপাদনে বিএডিসি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আর এজন্য মাদার সীড এর মাধ্যমে উৎপাদনে দেশে পাট বীজের আগামী ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা। এতে দেশের ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
পরে বিএডিসির কর্মকর্তাবৃন্দ, চাষী এবং ডিলাররা সরাসরি জেআরও ৫২৪ জাতের পাট বীজ ক্ষেত পরিদর্শন করেন।
