স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ১১-দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের আজ কোমর ভাঙা। তাই মেরামত করতে হবে। সংস্কার করতে হবে। গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে।’
শনিবার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে লংমার্চকে স্বাগত জানাতে জড়ো হওয়া নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির ডা: শফিকুর রহমান।
শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের তাড়াতে হবে। দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে হবে। এ লড়াই জনগণের লড়াই, এ লড়াই মুক্তির লড়াই।
বিরোধীদলীয় এই নেতা আরো বলেন, ‘আপনারা রাস্তায় নেমে আমাদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। আপনাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে। আমরা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি চাই।’
ফরিদপুর ও ভাঙ্গার বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী লংমার্চকে স্বাগত জানান।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিতে এই লংমার্চ হচ্ছে।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে লংমার্চের গাড়িবহর ভাঙ্গা পৌরসভা কার্যালয় থেকে পরে খুলনার দিকে রওনা হয়। এ সময় মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। লংমার্চের কয়েক হাজার গাড়ি ভাঙ্গা হয়ে খুলনার দিকে যায়। ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে পার হওয়ার পর যানজটের কারণে গাড়ির গতি কমে যায়। বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কয়েক হাজার গাড়ি ভাঙ্গা মহাসড়ক অতিক্রম করে।
শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে এই লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। বহর টি হানিফ ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ধরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু পার হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার কথা। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করা হবে। পথে আয়োজন করা হয়েছে একাধিক পথসভা।
